চীন সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট চীনে সফর করবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। এটা হবে ২০১৭ সালের পর প্রথমবার কোনো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বেইজিং সফর।
নিজের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালে ট্রাম্পই শেষ কোনো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীন সফর করেছিলেন।
গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ট্রাম্পের চীন সফরের তারিখ নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং দুজনই সাম্প্রতিক মাসগুলোয় দুই দেশের মধ্যে ‘চমৎকার’ এবং ‘ভালো যোগাযোগ’ হওয়ার কথা বলেছেন।
নিজের পরিকল্পিত চীন সফর নিয়ে গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্পও কথা বলেছেন। চীন সফর প্রসঙ্গে ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার বলেন, ‘এটা হবে জমজমাট এক সফর।’
তিনি আরও বলেন, ‘চীনের ইতিহাসে এ পর্যন্ত যত আয়োজন হয়েছে, তার চেয়ে বড় পরিসরে আমাদের উপস্থিতি ও আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে।’
এমন সময়ে ট্রাম্পের চীন সফরের ঘোষণা এল, যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ক বাতিল করেছেন। ট্রাম্প প্রকাশ্যেই অন্যান্য দেশকে তার নীতির পক্ষে সমর্থন দিতে বাধ্য করতে শুল্ক আরোপকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার কথা বলেছেন।
গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের চীন সফরের তারিখ ঘোষণার দিনই সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুল্ক বাতিলের রায় আসে।
ট্রাম্পের চীন সফরের বৈঠকগুলোয় আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে খুব সম্ভবত শুল্কও থাকবে। সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য হুমকির বিরুদ্ধে চীনের প্রতিক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হবে। বাণিজ্য শুল্কের প্রতিক্রিয়ায় চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন কেনা বন্ধ করার কথা বলেছে। চীনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি হওয়া শীর্ষ পণ্য ছিল সয়াবিন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোয় বেশ কয়েকজন পশ্চিমা নেতা বেইজিং সফরে গেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। চীন সফরে দেশটির সঙ্গে নতুন বাণিজ্যচুক্তি হওয়ার কথা বলেছেন কার্নি। চীনের তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ি ক্রয়ের ওপর থেকে কানাডার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় ছিল।

