মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কুর্দি যোদ্ধাদের কোনো যুদ্ধে সম্পৃক্ত করার বিপক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্টকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, কুর্দিরা যুদ্ধে অংশ নিক তা তিনি কোনোভাবেই চাইছেন না।
ট্রাম্পের মতে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এমনিতেই বেশ জটিল, আর কুর্দিদের অংশগ্রহণে এটি আরও ঘোলাটে হয়ে উঠুক তা তার কাম্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, কুর্দিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তাদের কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির হাত থেকে রক্ষা করতে চান। কুর্দি যোদ্ধারা যুদ্ধে অংশ নিতে আগ্রহী হলেও ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে তাদের নিরুৎসাহিত করেছেন বলে জানান।
তবে এই বক্তব্যটি এর আগে রয়টার্সকে দেওয়া তার একটি বিবৃতির ঠিক বিপরীত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ওই সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানি কুর্দি যোদ্ধাদের আক্রমণের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। ইতোপূর্বে হোয়াইট হাউস থেকেও কুর্দিদের অস্ত্রশস্ত্র প্রদানের খবরটি অস্বীকার করা হয়েছিল, যদিও তাদের অনেকেই অতীতে ইরাকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় মার্কিন বাহিনীর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পেয়েছিলেন।
এদিকে উত্তর ইরাকে নির্বাসিত ইরানি কুর্দি বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে বিবিসি যোগাযোগ করলে তারা সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করে। তবে কুর্দিস্তান ফ্রিডম পার্টির (পিএকে) প্রতিনিধি হানা ইয়াজদানপানা জানিয়েছেন, তারা তাদের যোদ্ধাদের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বারবার ‘নো-ফ্লাই জোন’ বা বিমানমুক্ত অঞ্চল ঘোষণার অনুরোধ জানিয়ে আসছেন।

