শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

নতুন অস্ত্র ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ নিয়ে ইরানের কঠিন হুঁশিয়ারি

শুক্রবার, মার্চ ৬, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান এক ‘দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের’ জন্য নিজেকে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত ঘোষণা করেছে। ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়েনি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তেহরান এমন কিছু উন্নত ও শক্তিশালী যুদ্ধপ্রযুক্তি বা অস্ত্র মোতায়েন করতে যাচ্ছে যা এই যুদ্ধে এর আগে কখনও ব্যবহার করা হয়নি। খবর আল জাজিরার।

বিবৃতিতে জেনারেল নায়েনি বলেন, আসন্ন আক্রমণগুলোতে শত্রুদের জন্য ‘বেদনাদায়ক আঘাত’ অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, গত বছর আমেরিকা ও ইসরাইলের সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় ইরান এখন অনেক বেশি সুসংগঠিত। চলমান এই সংঘাতকে ‘পবিত্র ও বৈধ যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘নতুন প্রযুক্তি ও অস্ত্র আসার পথে রয়েছে, যা এখনও বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার করা হয়নি।’

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে এমনভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে যা বিশ্ব আগে কখনও দেখেনি। ট্রাম্পের মতে, ইরানের বিমান বাহিনী ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ অকেজো।

তবে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ইরানি বাহিনী যেকোনো মার্কিন স্থল আক্রমণের জন্য ‘অপেক্ষা করছে’। তিনি বলেন, হাজার হাজার মার্কিন সেনাকে হত্যা ও বন্দী করে তারা ‘দুর্নীতিগ্রস্ত মার্কিন কর্মকর্তাদের’ চরমভাবে অপমানিত করবেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজারের বেশি। রাজধানী তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে পারান্ড শহরে দুটি স্কুলও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। যুদ্ধের পরিধি এখন গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও বাহরাইনের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, অন্যদিকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইসরাইলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিবেও বড় ধরনের যৌথ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ও তার মিত্ররা।