বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার নেতানিয়াহুর মন্তব্যের নিন্দা কাতার ও মিশরের

শনিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫

প্রিন্ট করুন

ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করা নিয়ে ইসারাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিশর ও কাতার। এর মধ্যে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংয়ের প্রসঙ্গও রয়েছে।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

ইসরাইলি টেলিগ্রাম চ্যানেল আবু আলি এক্সপ্রেস-এ এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, ‘গাজা পুনর্গঠনের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে’ এবং তিনি দাবি করেন, ‘অর্ধেক জনগণ গাজা ছাড়তে চায়’

যদিও তিনি বলেন এটি ‘সমষ্টিগত নির্বাসন নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাদের জন্য রাফাহ খুলে দিতে পারি, কিন্তু মিশর তা সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করে দেবে।’

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেতানিয়াহুর এসব মন্তব্যকে ‘অঞ্চলে উত্তেজনা দীর্ঘায়িত করার এবং অস্থিতিশীলতা চিরস্থায়ী করার চলমান প্রচেষ্টা, একই সঙ্গে গাজায় ইসরাইলি লঙ্ঘনের দায় এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফের পূণর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বা জবরদস্তিমূলক বাস্তুচ্যুতি ‘স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, (মিশর) জোর দিয়ে বলছে যে এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধের শামিল, যা সহ্য করা যায় না।’

এছাড়া তারা নিশ্চিত করেছে, মিশর কখনও এসব কর্মকাণ্ডে শরিক হবে না কিংবা ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে না।

এটিকে তারা ‘রেড লাইন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে যা অতিক্রম করা যাবে না।

‘সমষ্টিগত শাস্তি সফল হবে না’

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও নেতানিয়াহুর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে এবং এসব মন্তব্যকে ‘ভ্রাতৃপ্রতিম ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার লঙ্ঘনের দখলদারিত্বমূলক নীতির ধারাবাহিকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দখলদাররা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যে সমষ্টিগত শাস্তির নীতি প্রয়োগ করছে … তা কখনও ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের ভূমি থেকে বিতাড়িত করতে বা তাদের বৈধ অধিকার কেড়ে নিতে সফল হবে না।