যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে তাদের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিনসহ মোট ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেন।
অ্যাডমিরাল কুপার জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামক এই অভিযানে বি-২ এবং বি-১ বোম্বারের মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে মার্কিন বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো তাদের ওপর হামলা করতে সক্ষম এমন প্রতিটি লক্ষ্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দেওয়া।
এই অভিযানের ফলে বর্তমানে আরব উপসাগর, হরমুজ প্রণালী বা ওমান উপসাগরে ইরানের কোনো জাহাজ চলাচলের অবস্থায় নেই। এমনকি ইরানের সবচেয়ে সক্রিয় সাবমেরিনটিও বর্তমানে অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, গত চারদিন ধরে চলা এই অভিযানে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা এবং ২০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিচ্ছে। মাত্র ১০০ ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের প্রায় ২ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে এবং এই হামলা বিরতিহীনভাবে চলছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই ব্যাপক বোমাবর্ষণের জবাবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে।
অ্যাডমিরাল কুপার জানান, তেহরান এখন পর্যন্ত ৫০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজারেরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। তবে ক্রমাগত হামলার মুখে ইরানের পাল্টা আঘাত করার সক্ষমতা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে বলে দাবি করেছে পেন্টাগন।

