শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা

শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপে অবস্থিত ‘প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু’ পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই হামলা দেশটির অর্থনীতির জন্য বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া অব্যাহত রাখে, তবে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোগুলোতেও সরাসরি হামলা চালানো হবে।

পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা মোকাবিলায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ‘মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ মোতায়েন করা হচ্ছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করা হলেও ইরান এই ক্ষয়ক্ষতির দাবিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, খারগ দ্বীপের তেল সংশ্লিষ্ট কোনো অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

তবে এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, তাদের জ্বালানি অবকাঠামোতে কোনো ধরনের বড় হামলা চালানো হলে তারা এই অঞ্চলের অন্যান্য তেল স্থাপনাগুলোতেও আঘাত হানবে। মূলত হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এই সংঘাত এখন চরম রূপ নিয়েছে, যা বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করেছে।