তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করেছে চীন। এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কঠোরভাবে এক চীন নীতি এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যৌথ ঘোষণাপত্র মেনে চলা। একই সঙ্গে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করা।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফরের পর তাইওয়ানের জন্য উন্নত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রসহ নতুন একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদিত হতে পারে— এমন খবর প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় জিয়াকুন এই মন্তব্য করেন।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়ন এবং তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ‘বাস্তব পদক্ষেপ’ নেওয়া প্রয়োজন।
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চলতি মাসের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো চীন সফর করবেন ট্রাম্প। এর আগে গত ডিসেম্বর তার প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। এর জবাবে চীন কয়েকটি মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানি ও তাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে চীন। অন্যদিকে, তাইপে ১৯৪৯ সাল থেকে কার্যত স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখে আসছে। এদিকে পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে তাইওয়ান, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ইরান যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চল থেকে অনেক সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে এই দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে।

