ইসরাইলে ইরানের সাম্প্রতিক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশটির প্রতিরক্ষা ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। গত রাতে (১৭ মার্চ) ইরান থেকে ছিটকানো ক্লাস্টার মিউনিশন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইসরাইলজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এই দফার হামলায় তেল আবিবের অত্যন্ত নিকটবর্তী এলাকায় দুই ইসরাইলি নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি অ্যাপার্টমেন্টে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে সেখানে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়। ওই ভবনে একটি সুরক্ষিত কক্ষ (সেফ রুম) থাকলেও নিহিত ব্যক্তিরা সেখানে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত সময় পাননি।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর সাধারণ ইসরাইলিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য সাইরেন কেন যথেষ্ট সময় আগে বাজানো হয়নি।
সামরিক ও কৌশলগত বিশ্লেষকদের একাংশ ধারণা করছেন, ইরান থেকে ক্রমাগত এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ইসরাইলি রাডার ব্যবস্থার সক্ষমতা হয়তো কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। ফলে ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা মিসাইলগুলো ঠিক কখন আঘাত হানবে, তা নিখুঁতভাবে বা অনেক আগে থেকে শনাক্ত করা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।

