সাবেক এমপি তুহিন‘
রাজধানীর মিরপুরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পর কারাগারে নেওয়ার পথে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একের পর এক মামলায় আমাকে জড়ানো হচ্ছে। এ কারণে আইনি প্রক্রিয়া থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
কারাগারে নেওয়ার সময় সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, ‘এত মামলা থাকলে কীভাবে বের হবো? মরে গেলে জামিন পাবো।’
বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত তাকে মিরপুর মডেল থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।
এরপর কারাগারে নেওয়ার পথে সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, ‘আমার কি ডানা আছে, এক দিনে এত জায়গায় গিয়ে এত কিছু করছি!’
এর আগে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মিরপুর মডেল থানার ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়। মামলাটি ২০২৪ সালের ২০ জুলাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা, যেখানে ভ্যানগাড়িতে কাপড় বিক্রির সময় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এতে বাদী কবির আহত হন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
শুনানিকালে সাবিনা আক্তার তুহিনের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার জামিন আবেদন করেন, তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। পরে আদালতের আদেশের পর তাকে কারাগারে নেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৩ জুন ডিবি পুলিশ তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। পরে শেরেবাংলা নগর থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। ওই মামলায় রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
এছাড়া তিনি আরও একাধিক মামলার আসামি, যার মধ্যে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ অনলাইন মিটিংয়ে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

