ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী কয়েক মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে একাধিক ফ্রন্টে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। এতে নতুন করে শঙ্কা জেগেছে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ বাধার।
দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনে হুথিদের নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির জবাবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
হুথিরা প্রদেশজুড়ে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী, সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্রের গুদাম লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে।
ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হুথিরা যদি সশস্ত্র বাহিনীর ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালানো হবে এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
গত কয়েক দিনে দেখা গেছে, হুথিরা প্রতিরোধমূলক সামরিক কৌশল গ্রহণ করেছে। ইয়েমেনি সেনাবাহিনী কোনো সামরিক অভিযান শুরু করার আগেই তাদের সামরিক অবস্থানগুলোতে হামলা চালাচ্ছে হুথিরা।
হুথিদের দাবি, ইয়েমেনি সেনাবাহিনী সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা ও অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে একটি সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত করেছে—এমন আশঙ্কা থেকেই তারা হামলা চালাচ্ছে।
জাতিসংঘও পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত না করে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। তবে জাতিসংঘ বিশেষ করে হুথিদের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পাশাপাশি লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলারও নিন্দা জানিয়েছে।
পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঠেকানো না গেলে ইয়েমেনে চলমান এই সংঘাত নতুন করে গৃহযুদ্ধের দিকে গড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

