ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির গত রাতে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে সতর্ক করে দিয়েছেন যে সেনাবাহিনী ‘ভেতর থেকে ভেঙে পড়ার দুয়ারে আছে’। ক্রমবর্ধমান অভিযানের চাপ ও সৈন্য সংকট এই পরিস্থিতির কারণ বলে জানান তিনি।
চ্যানেল ১৩ নিউজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জামির মন্ত্রীদের বলেছেন, ‘আমি আপনাদের সামনে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। আইডিএফের এখন একটি সেনা নিয়োগ আইন, রিজার্ভ ডিউটি আইন এবং বাধ্যতামূলক সেনা সেবার মেয়াদ বাড়ানোর আইন দরকার। অচিরেই আইডিএফ তার নিয়মিত কাজ করতে পারবে না এবং রিজার্ভ ব্যবস্থাও টিকে থাকবে না।’
এই ধরনের সতর্কবার্তা জামির এর আগেও দিয়েছেন। জানুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি সতর্ক করেন যে সৈন্য সংকট খুব শিগগিরই সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা ইসরাইলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী বারবার আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছে যে যুদ্ধের চাপ ও অন্যান্য সামরিক চ্যালেঞ্জের কারণে তাদের ১২ হাজার সৈন্যের ঘাটতি রয়েছে।
২০২৪ সালের জুনে ইসরাইলের সর্বোচ্চ আদালত রায় দেন যে হারেদি ইয়েশিভা শিক্ষার্থীদের দশকের পর দশক ধরে চলে আসা সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এরপর থেকে অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলো তাদের সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর বাইরে রাখতে আইন করার দাবি জানিয়ে আসছে। বর্তমানে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৮০ হাজার হারেদি পুরুষ সামরিক সেবার যোগ্য বলে মনে করা হয়, কিন্তু তারা এখনো সেনাবাহিনীতে যোগ দেননি।

