জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বিজয় বাংলাদেশের কূটনীতি এবং গণতন্ত্রের জন্য বড় বিষয় বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি মনে করব, এটা বিএনপির ধারাবাহিক পররাষ্ট্রনীতির একটা সাফল্য।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময়ে খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবেন কি না—এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর (তারেক রহমান) সিদ্ধান্ত।
আজ বুধবার ঢাকায় এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। গতকাল মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিসকে হারিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে ডেডিক্যাটলি এই কাজটি করতে হলে তাকে ওখানে সময়টা দিতেই হবে।
তার মানে এই না যে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। আমি মনে করি, এটি প্রধানমন্ত্রী এবং তার (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) সিদ্ধান্ত।’
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর কোন দেশে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো তথ্য দেওয়া না হচ্ছে ততক্ষণ সেটি সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই।
অনেক দেশ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণপত্র এসেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
কোন দেশ থেকে তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তা প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়ে দেবে বলে জানান শামা ওবায়েদ।
গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত তা জানেন বলে দাবি করে বক্তব্য দেন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘একটি রাজ্যের পরাজিত ব্যক্তি কী বলল তা আমলে নিচ্ছে না সরকার। এ হত্যাকাণ্ডে (হাদি হত্যাকাণ্ড) জড়িত সন্দেহে ভারতে গ্রেপ্তার আসামিদের ফিরিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে কাজ করছে সরকার।

