যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি।
এই কর্মকর্তা জানান, ইরানের আলোচক দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, আসন্ন আলোচনা দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের অবকাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপে পারমাণবিক কর্মসূচি ও ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, যা চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার লক্ষ্য রয়েছে।
এদিকে আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘোষিত শান্তি চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লেবাননের যুদ্ধের অবসান। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরাঘচি বলেন, তাদের দৃষ্টিতে এই সমঝোতা স্মারকের একপক্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, আর অন্যপক্ষে রয়েছে ইরান ও হিজবুল্লাহ। চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে চলমান যুদ্ধের তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী অবসানের ঘোষণা।
তিনি আরও জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

